গোলমরিচ, দারচিনি ও মধু এবং রসুন ও গরুর দুধের সংমিশ্রণে তৈরী হয় যে সকল রোগের ঔষধ

  Generate and Copy Share Link for Earning

গোলমরিচের ঔষধি গুণ

 

 

অনেকেই গোলমরিচ পছন্দ করেন না। কিন্তু এর অনেক ঔষধি গুণ আছে। আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এটি যোগ করতে পারেন। গোলমরিচ আপনার শরীর ফিট রাখতে বেশ কার্যকর। অনেকেই রান্নায় গোলমরিচ গুঁড়া ব্যবহার করেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলেন, রান্নায় গোটা গোলমরিচ ব্যবহার করাই ভালো।

 

কফের চিকিৎসায় গোলমরিচ

একটি বাটিতে কিছু গোলমরিচ, জিরা ও বিট লবণ মিশিয়ে মুখে রাখুন। এটি খুশখুশে কাশি ও কফের চিকিৎসায় বেশ কার্যকর।

 

জ্বর থেকে পরিত্রাণ পেতে

একটি বাটিতে কিছু গোলমরিচ ও এক চা-চামচ চিনি নিন। সঙ্গে পানি যোগ করে খান। মিশ্রণটি আপনার জ্বর দূর করবে।

 

আপনি কি ঠাণ্ডায় ভুগছেন?

ঘরে বসেই দূর করুন ঠাণ্ডার সমস্যা। এক গ্লাস দুধের সঙ্গে কিছু গোলমরিচ ও জাফরান মিশিয়ে খান। এটি ইনফেকশনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং ঠাণ্ডাজনিত সব সমস্যা দূর করে।

 

দাঁতের চিকিৎসায় গোলমরিচ

সকল ধরনের দাঁতের চিকিৎসায় গোলমরিচ বেশ কার্যকর। গোলমরিচ গুঁড়া করে দাঁতের মাড়ির ওপর কিছুক্ষণ রাখুন। এটি দাঁতের সমস্যা এবং নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ দূর করবে।

 

খাওয়ার রুচি বাড়াতে

যদি বলি গোলমরিচ গুঁড়া আপনার খাওয়ার রুচি বাড়াবে। তবে নিশ্চয়ই অবাক হবেন, তাই তো। তবে বলছি এক কাপ ঘন দুধের সঙ্গে কয়েকটা গোলমরিচ মিশিয়ে নিন। সপ্তাহে এটি দুবার করে খাবেন। এটি আপনার খাওয়ার রুচি বাড়াবে।

 

চোখের জন্য ভালো গোলমরিচ

এক গ্লাস দুধের সঙ্গে এক চা-চামচ গোলমরিচ গুঁড়া ও এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে নিন। প্রতিদিন সকালে এটি খাবেন। এতে আপনার দৃষ্টিশক্তি ভালো হবে।

 

বদহজম সমস্যা দূর করতে

বদহজমের সমস্যা হচ্ছে? কোনো চিন্তা নেই। কয়েকটা গোলমরিচ চিবিয়ে অথবা পানি দিয়ে খেয়ে নিন। দেখবেন বদহজম সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

 

ওজন হ্রাস করে

যে কোনো ধরনের গরম মশলা ওজন হ্রাস করে। যদি অতিরিক্ত ওজন হ্রাস করতে চান, তবে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় গরম মশলা যোগ করুন।

 

ঠাণ্ডা এলার্জি দূর করতে

একটি পাত্রে পানি ফুটিয়ে তাতে কয়েকটা গোলমরিচ, সাদা গোলমরিচ, সামান্য চিনি ও আদা মেশান। গরম গরম খেলে ঠাণ্ডা সমস্যা দূর হবে। যদি না হয় তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

 

দারুচিনি ও মধু মিশ্রণে

 

 

প্রাকৃতিক উপাদানসমূহ নিজ নিজ গুণে গুণান্বিত। মধু দারুচিনি রান্নাঘরে অন্যতম দুটি উপাদান। খাবারের গন্ধ এবং স্বাদ বৃদ্ধিতে দারুচিনি বেশ প্রচলিত। আর মধু স্বাস্থ্যগত নানা সমস্যা সমাধান করে থাকে। শুধু মধু নয়, দারুচিনি এবং মধুর মিশ্রণ নানান স্বাস্থ্যগত সমস্যা সমাধান করে দেয়। হৃদরোগ থেকে শুরু করে ওজন কমানো পর্যন্ত প্রায় সবকিছুতে মধু-দারুচিনির মিশ্রণ তুলনাহীন। এই জাদুকরী মিশ্রণের স্বাস্থ্যগুণ নিয়ে আজকের ফিচার।

 

খারাপ কোলেস্টেরল দূর করতে

মধু এবং দারুচিনি উভয় শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে। ৩/৪ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়োর সাথে ৫ টেবিল চামচ বিশুদ্ধ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। এই মিশ্রণটি আপনার কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখবে।

 

হার্ট সুস্থ রাখতে

হার্ট সুস্থ রাখতে দারুচিনি ও মধুর পানির বিকল্প নেই। প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস মধু ও দারুচিনি মিশ্রিত পানি পান করলে হৃদরোগ থেকে দূরে থাকা যায়। এটি ধমনীর ব্লক খুলতে সাহায্য করে।

 

বাত অথবা আর্থারাইটিসের ব্যথা দূর করা

এক কাপ গরম পানির সাথে দুই চা চামচ মধু এবং এক চা চামচ দারুচিনি মিশিয়ে পান করুন। এটি সকাল এবং সন্ধ্যা দুই বেলা পান করুন। এর অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান বাতের ব্যথা এবং জয়েন্টের ব্যথা দূর করতে সক্ষম।

 

ওজন কমাতে

ওজন কামতে এই মিশ্রণটি জাদুর মত কাজ করে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে দারুচিনি এবং মধু দ্রুত চর্বি কমায়। প্রতিদিন দারুচিনি গুঁড়ো ও মধু দিয়ে ফোটানো এক গ্লাস পানি খালিপেটে পান করুন। এটি দ্রুত ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করবে।

 

পাকস্থলির ইনফেকশন দূর

মধু এবং দারুচিনির অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল মিশ্রণ পাকস্থলির ইনফেকশন দূর করে। এতে থাকা অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল এবং হিলিং উপাদান পাকস্থলি পরিষ্কার করে থাকে।

 

নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ

কুসুম গরম পানিতে মধু ও দারুচিনি মেশান। প্রতিদিন সকালে এটি পান করুন। এটি আপনার মুখের দুর্গন্ধ দূর করে দেবে।

 

অবসাদ কাটাতে

এক গ্লাস পানিতে আধা টেবিল চামচ মধু এবং সামান্য পরিমাণ দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন। আর দেখুন ক্লান্তি অবসাদ কোথায় পালিয়ে যায়।

 

রসুন ও দুধ একসাথে

 

 

রসুন ও দুধ খুব উপকারী দুটি খাবার। এদের রয়েছে স্বাস্থ্যগত গুণ। জানেন কি দুধের মধ্যে রসুন মিশিয়ে খাওয়ার রয়েছে অনেক উপকার? দুধকে আদর্শ খাবার বলা হয়। এর মধ্যে মানবশরীরের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সব উপাদানই রয়েছে। আর রসুনের মধ্যে রয়েছে প্রদাহরোধী উপাদান, রয়েছে ব্যাকটেরিয়ারোধী উপাদান।

 

রসুন-দুধের পানীয় তৈরি করতে যা যা লাগবে

 

• ৫০০ এম এল দুধ

 

• ২৫০ এম এল পানি

 

• দুই থেকে তিন চা চামচ চিনি

 

• খোসা ছাড়ানো ১০ কোয়া থেঁতলানো রসুন

 

যেভাবে প্রস্তুত করবেন

 

একটি পাত্রে দুধ ও পানি মেশান। এতে রসুন দিন। এরপর ফোটানোর জন্য চুলায় দিন। দুধ জ্বাল দিতে দিতে অর্ধেক পরিমাণ হলে নামিয়ে ফেলুন। এরপর মিশ্রণটিতে চিনি মেশান। উষ্ণ থাকতে থাকতে পান করুন।

 

রসুন-দুধের উপকারিতা

 

• রসুন দুধ অ্যাজমা প্রতিরোধে কাজ করে।

 

• রসুন-দুধ ঘুমের সমস্যা প্রতিরোধে উপকারী।

 

• রসুন-দুধ প্রজননক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে।

 

• ঠান্ডা-কাশি কমাতে রসুন-দুধের পানীয় খেতে পারেন।

 

• নিয়মিত এই পানীয় পান করলে আরথ্রাইটিসের সমস্যা কমবে।

 

• সপ্তাহে তিনবার রসুন-দুধ পানীয় খেলে নিউমোনিয়া কমতে সাহায্য হয়।

 

• এই পানীয় শরীরের বাজে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায়। রক্ত জমাটবাঁধা প্রতিরোধ করে, রক্ত সঞ্চালন ভালো করে। তবে অবশ্যই দুধটি লো ফ্যাট হতে হবে।

 

রসুন ও দুধ একসাথে

 

 

রসুন ও দুধ খুব উপকারী দুটি খাবার। এদের রয়েছে স্বাস্থ্যগত গুণ। জানেন কি দুধের মধ্যে রসুন মিশিয়ে খাওয়ার রয়েছে অনেক উপকার? দুধকে আদর্শ খাবার বলা হয়। এর মধ্যে মানবশরীরের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সব উপাদানই রয়েছে। আর রসুনের মধ্যে রয়েছে প্রদাহরোধী উপাদান, রয়েছে ব্যাকটেরিয়ারোধী উপাদান।

 

রসুন-দুধের পানীয় তৈরি করতে যা যা লাগবে

 

• ৫০০ এম এল দুধ

 

• ২৫০ এম এল পানি

 

• দুই থেকে তিন চা চামচ চিনি

 

• খোসা ছাড়ানো ১০ কোয়া থেঁতলানো রসুন

 

যেভাবে প্রস্তুত করবেন

 

একটি পাত্রে দুধ ও পানি মেশান। এতে রসুন দিন। এরপর ফোটানোর জন্য চুলায় দিন। দুধ জ্বাল দিতে দিতে অর্ধেক পরিমাণ হলে নামিয়ে ফেলুন। এরপর মিশ্রণটিতে চিনি মেশান। উষ্ণ থাকতে থাকতে পান করুন।

 

রসুন-দুধের উপকারিতা

 

• রসুন দুধ অ্যাজমা প্রতিরোধে কাজ করে।

 

• রসুন-দুধ ঘুমের সমস্যা প্রতিরোধে উপকারী।

 

• রসুন-দুধ প্রজননক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে।

 

• ঠান্ডা-কাশি কমাতে রসুন-দুধের পানীয় খেতে পারেন।

 

• নিয়মিত এই পানীয় পান করলে আরথ্রাইটিসের সমস্যা কমবে।

 

• সপ্তাহে তিনবার রসুন-দুধ পানীয় খেলে নিউমোনিয়া কমতে সাহায্য হয়।

 

• এই পানীয় শরীরের বাজে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায়। রক্ত জমাটবাঁধা প্রতিরোধ করে, রক্ত সঞ্চালন ভালো করে। তবে অবশ্যই দুধটি লো ফ্যাট হতে হবে।

 

রসুন ও দুধ একসাথে

 

 

রসুন ও দুধ খুব উপকারী দুটি খাবার। এদের রয়েছে স্বাস্থ্যগত গুণ। জানেন কি দুধের মধ্যে রসুন মিশিয়ে খাওয়ার রয়েছে অনেক উপকার? দুধকে আদর্শ খাবার বলা হয়। এর মধ্যে মানবশরীরের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সব উপাদানই রয়েছে। আর রসুনের মধ্যে রয়েছে প্রদাহরোধী উপাদান, রয়েছে ব্যাকটেরিয়ারোধী উপাদান।

 

রসুন-দুধের পানীয় তৈরি করতে যা যা লাগবে

 

• ৫০০ এম এল দুধ

 

• ২৫০ এম এল পানি

 

• দুই থেকে তিন চা চামচ চিনি

 

• খোসা ছাড়ানো ১০ কোয়া থেঁতলানো রসুন

 

যেভাবে প্রস্তুত করবেন

 

একটি পাত্রে দুধ ও পানি মেশান। এতে রসুন দিন। এরপর ফোটানোর জন্য চুলায় দিন। দুধ জ্বাল দিতে দিতে অর্ধেক পরিমাণ হলে নামিয়ে ফেলুন। এরপর মিশ্রণটিতে চিনি মেশান। উষ্ণ থাকতে থাকতে পান করুন।

 

রসুন-দুধের উপকারিতা

 

• রসুন দুধ অ্যাজমা প্রতিরোধে কাজ করে।

 

• রসুন-দুধ ঘুমের সমস্যা প্রতিরোধে উপকারী।

 

• রসুন-দুধ প্রজননক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে।

 

• ঠান্ডা-কাশি কমাতে রসুন-দুধের পানীয় খেতে পারেন।

 

• নিয়মিত এই পানীয় পান করলে আরথ্রাইটিসের সমস্যা কমবে।

 

• সপ্তাহে তিনবার রসুন-দুধ পানীয় খেলে নিউমোনিয়া কমতে সাহায্য হয়।

 

• এই পানীয় শরীরের বাজে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায়। রক্ত জমাটবাঁধা প্রতিরোধ করে, রক্ত সঞ্চালন ভালো করে। তবে অবশ্যই দুধটি লো ফ্যাট হতে হবে।

 

গোলমরিচের ঔষধি গুণ

 

 

অনেকেই গোলমরিচ পছন্দ করেন না। কিন্তু এর অনেক ঔষধি গুণ আছে। আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এটি যোগ করতে পারেন। গোলমরিচ আপনার শরীর ফিট রাখতে বেশ কার্যকর। অনেকেই রান্নায় গোলমরিচ গুঁড়া ব্যবহার করেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলেন, রান্নায় গোটা গোলমরিচ ব্যবহার করাই ভালো।

 

কফের চিকিৎসায় গোলমরিচ

একটি বাটিতে কিছু গোলমরিচ, জিরা ও বিট লবণ মিশিয়ে মুখে রাখুন। এটি খুশখুশে কাশি ও কফের চিকিৎসায় বেশ কার্যকর।

 

জ্বর থেকে পরিত্রাণ পেতে

একটি বাটিতে কিছু গোলমরিচ ও এক চা-চামচ চিনি নিন। সঙ্গে পানি যোগ করে খান। মিশ্রণটি আপনার জ্বর দূর করবে।

 

আপনি কি ঠাণ্ডায় ভুগছেন?

ঘরে বসেই দূর করুন ঠাণ্ডার সমস্যা। এক গ্লাস দুধের সঙ্গে কিছু গোলমরিচ ও জাফরান মিশিয়ে খান। এটি ইনফেকশনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং ঠাণ্ডাজনিত সব সমস্যা দূর করে।

 

দাঁতের চিকিৎসায় গোলমরিচ

সকল ধরনের দাঁতের চিকিৎসায় গোলমরিচ বেশ কার্যকর। গোলমরিচ গুঁড়া করে দাঁতের মাড়ির ওপর কিছুক্ষণ রাখুন। এটি দাঁতের সমস্যা এবং নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ দূর করবে।

 

খাওয়ার রুচি বাড়াতে

যদি বলি গোলমরিচ গুঁড়া আপনার খাওয়ার রুচি বাড়াবে। তবে নিশ্চয়ই অবাক হবেন, তাই তো। তবে বলছি এক কাপ ঘন দুধের সঙ্গে কয়েকটা গোলমরিচ মিশিয়ে নিন। সপ্তাহে এটি দুবার করে খাবেন। এটি আপনার খাওয়ার রুচি বাড়াবে।

 

চোখের জন্য ভালো গোলমরিচ

এক গ্লাস দুধের সঙ্গে এক চা-চামচ গোলমরিচ গুঁড়া ও এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে নিন। প্রতিদিন সকালে এটি খাবেন। এতে আপনার দৃষ্টিশক্তি ভালো হবে।

 

বদহজম সমস্যা দূর করতে

বদহজমের সমস্যা হচ্ছে? কোনো চিন্তা নেই। কয়েকটা গোলমরিচ চিবিয়ে অথবা পানি দিয়ে খেয়ে নিন। দেখবেন বদহজম সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

 

ওজন হ্রাস করে

যে কোনো ধরনের গরম মশলা ওজন হ্রাস করে। যদি অতিরিক্ত ওজন হ্রাস করতে চান, তবে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় গরম মশলা যোগ করুন।

 

ঠাণ্ডা এলার্জি দূর করতে

একটি পাত্রে পানি ফুটিয়ে তাতে কয়েকটা গোলমরিচ, সাদা গোলমরিচ, সামান্য চিনি ও আদা মেশান। গরম গরম খেলে ঠাণ্ডা সমস্যা দূর হবে। যদি না হয় তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

 

দারুচিনি ও মধু মিশ্রণে

 

 

প্রাকৃতিক উপাদানসমূহ নিজ নিজ গুণে গুণান্বিত। মধু দারুচিনি রান্নাঘরে অন্যতম দুটি উপাদান। খাবারের গন্ধ এবং স্বাদ বৃদ্ধিতে দারুচিনি বেশ প্রচলিত। আর মধু স্বাস্থ্যগত নানা সমস্যা সমাধান করে থাকে। শুধু মধু নয়, দারুচিনি এবং মধুর মিশ্রণ নানান স্বাস্থ্যগত সমস্যা সমাধান করে দেয়। হৃদরোগ থেকে শুরু করে ওজন কমানো পর্যন্ত প্রায় সবকিছুতে মধু-দারুচিনির মিশ্রণ তুলনাহীন। এই জাদুকরী মিশ্রণের স্বাস্থ্যগুণ নিয়ে আজকের ফিচার।

 

খারাপ কোলেস্টেরল দূর করতে

মধু এবং দারুচিনি উভয় শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে। ৩/৪ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়োর সাথে ৫ টেবিল চামচ বিশুদ্ধ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। এই মিশ্রণটি আপনার কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখবে।

 

হার্ট সুস্থ রাখতে

হার্ট সুস্থ রাখতে দারুচিনি ও মধুর পানির বিকল্প নেই। প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস মধু ও দারুচিনি মিশ্রিত পানি পান করলে হৃদরোগ থেকে দূরে থাকা যায়। এটি ধমনীর ব্লক খুলতে সাহায্য করে।

 

বাত অথবা আর্থারাইটিসের ব্যথা দূর করা

এক কাপ গরম পানির সাথে দুই চা চামচ মধু এবং এক চা চামচ দারুচিনি মিশিয়ে পান করুন। এটি সকাল এবং সন্ধ্যা দুই বেলা পান করুন। এর অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান বাতের ব্যথা এবং জয়েন্টের ব্যথা দূর করতে সক্ষম।

 

ওজন কমাতে

ওজন কামতে এই মিশ্রণটি জাদুর মত কাজ করে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে দারুচিনি এবং মধু দ্রুত চর্বি কমায়। প্রতিদিন দারুচিনি গুঁড়ো ও মধু দিয়ে ফোটানো এক গ্লাস পানি খালিপেটে পান করুন। এটি দ্রুত ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করবে।

 

পাকস্থলির ইনফেকশন দূর

মধু এবং দারুচিনির অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল মিশ্রণ পাকস্থলির ইনফেকশন দূর করে। এতে থাকা অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল এবং হিলিং উপাদান পাকস্থলি পরিষ্কার করে থাকে।

 

নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ

কুসুম গরম পানিতে মধু ও দারুচিনি মেশান। প্রতিদিন সকালে এটি পান করুন। এটি আপনার মুখের দুর্গন্ধ দূর করে দেবে।

 

অবসাদ কাটাতে

এক গ্লাস পানিতে আধা টেবিল চামচ মধু এবং সামান্য পরিমাণ দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন। আর দেখুন ক্লান্তি অবসাদ কোথায় পালিয়ে যায়।

 

দারুচিনি ও মধু মিশ্রণে

 

 

প্রাকৃতিক উপাদানসমূহ নিজ নিজ গুণে গুণান্বিত। মধু দারুচিনি রান্নাঘরে অন্যতম দুটি উপাদান। খাবারের গন্ধ এবং স্বাদ বৃদ্ধিতে দারুচিনি বেশ প্রচলিত। আর মধু স্বাস্থ্যগত নানা সমস্যা সমাধান করে থাকে। শুধু মধু নয়, দারুচিনি এবং মধুর মিশ্রণ নানান স্বাস্থ্যগত সমস্যা সমাধান করে দেয়। হৃদরোগ থেকে শুরু করে ওজন কমানো পর্যন্ত প্রায় সবকিছুতে মধু-দারুচিনির মিশ্রণ তুলনাহীন। এই জাদুকরী মিশ্রণের স্বাস্থ্যগুণ নিয়ে আজকের ফিচার।

 

খারাপ কোলেস্টেরল দূর করতে

মধু এবং দারুচিনি উভয় শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে। ৩/৪ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়োর সাথে ৫ টেবিল চামচ বিশুদ্ধ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। এই মিশ্রণটি আপনার কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখবে।

 

হার্ট সুস্থ রাখতে

হার্ট সুস্থ রাখতে দারুচিনি ও মধুর পানির বিকল্প নেই। প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস মধু ও দারুচিনি মিশ্রিত পানি পান করলে হৃদরোগ থেকে দূরে থাকা যায়। এটি ধমনীর ব্লক খুলতে সাহায্য করে।

 

বাত অথবা আর্থারাইটিসের ব্যথা দূর করা

এক কাপ গরম পানির সাথে দুই চা চামচ মধু এবং এক চা চামচ দারুচিনি মিশিয়ে পান করুন। এটি সকাল এবং সন্ধ্যা দুই বেলা পান করুন। এর অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান বাতের ব্যথা এবং জয়েন্টের ব্যথা দূর করতে সক্ষম।

 

ওজন কমাতে

ওজন কামতে এই মিশ্রণটি জাদুর মত কাজ করে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে দারুচিনি এবং মধু দ্রুত চর্বি কমায়। প্রতিদিন দারুচিনি গুঁড়ো ও মধু দিয়ে ফোটানো এক গ্লাস পানি খালিপেটে পান করুন। এটি দ্রুত ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করবে।

 

পাকস্থলির ইনফেকশন দূর

মধু এবং দারুচিনির অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল মিশ্রণ পাকস্থলির ইনফেকশন দূর করে। এতে থাকা অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল এবং হিলিং উপাদান পাকস্থলি পরিষ্কার করে থাকে।

 

নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ

কুসুম গরম পানিতে মধু ও দারুচিনি মেশান। প্রতিদিন সকালে এটি পান করুন। এটি আপনার মুখের দুর্গন্ধ দূর করে দেবে।

 

অবসাদ কাটাতে

এক গ্লাস পানিতে আধা টেবিল চামচ মধু এবং সামান্য পরিমাণ দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন। আর দেখুন ক্লান্তি অবসাদ কোথায় পালিয়ে যায়।

 

দারুচিনি ও মধু মিশ্রণে

 

 

প্রাকৃতিক উপাদানসমূহ নিজ নিজ গুণে গুণান্বিত। মধু দারুচিনি রান্নাঘরে অন্যতম দুটি উপাদান। খাবারের গন্ধ এবং স্বাদ বৃদ্ধিতে দারুচিনি বেশ প্রচলিত। আর মধু স্বাস্থ্যগত নানা সমস্যা সমাধান করে থাকে। শুধু মধু নয়, দারুচিনি এবং মধুর মিশ্রণ নানান স্বাস্থ্যগত সমস্যা সমাধান করে দেয়। হৃদরোগ থেকে শুরু করে ওজন কমানো পর্যন্ত প্রায় সবকিছুতে মধু-দারুচিনির মিশ্রণ তুলনাহীন। এই জাদুকরী মিশ্রণের স্বাস্থ্যগুণ নিয়ে আজকের ফিচার।

 

খারাপ কোলেস্টেরল দূর করতে

মধু এবং দারুচিনি উভয় শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে। ৩/৪ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়োর সাথে ৫ টেবিল চামচ বিশুদ্ধ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। এই মিশ্রণটি আপনার কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখবে।

 

হার্ট সুস্থ রাখতে

হার্ট সুস্থ রাখতে দারুচিনি ও মধুর পানির বিকল্প নেই। প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস মধু ও দারুচিনি মিশ্রিত পানি পান করলে হৃদরোগ থেকে দূরে থাকা যায়। এটি ধমনীর ব্লক খুলতে সাহায্য করে।

 

বাত অথবা আর্থারাইটিসের ব্যথা দূর করা

এক কাপ গরম পানির সাথে দুই চা চামচ মধু এবং এক চা চামচ দারুচিনি মিশিয়ে পান করুন। এটি সকাল এবং সন্ধ্যা দুই বেলা পান করুন। এর অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান বাতের ব্যথা এবং জয়েন্টের ব্যথা দূর করতে সক্ষম।

 

ওজন কমাতে

ওজন কামতে এই মিশ্রণটি জাদুর মত কাজ করে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে দারুচিনি এবং মধু দ্রুত চর্বি কমায়। প্রতিদিন দারুচিনি গুঁড়ো ও মধু দিয়ে ফোটানো এক গ্লাস পানি খালিপেটে পান করুন। এটি দ্রুত ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করবে।

 

পাকস্থলির ইনফেকশন দূর

মধু এবং দারুচিনির অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল মিশ্রণ পাকস্থলির ইনফেকশন দূর করে। এতে থাকা অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল এবং হিলিং উপাদান পাকস্থলি পরিষ্কার করে থাকে।

 

নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ

কুসুম গরম পানিতে মধু ও দারুচিনি মেশান। প্রতিদিন সকালে এটি পান করুন। এটি আপনার মুখের দুর্গন্ধ দূর করে দেবে।

 

অবসাদ কাটাতে

এক গ্লাস পানিতে আধা টেবিল চামচ মধু এবং সামান্য পরিমাণ দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন। আর দেখুন ক্লান্তি অবসাদ কোথায় পালিয়ে যায়।

Enjoyed this article? Stay informed by joining our newsletter!

Comments
Sohan - Jun 29, 2022, 6:25 PM - Add Reply

Nice post

You must be logged in to post a comment.
Aziber - Jun 29, 2022, 6:28 PM - Add Reply

Ncp

You must be logged in to post a comment.
Sayra - Jun 29, 2022, 6:32 PM - Add Reply

Nice post

You must be logged in to post a comment.

You must be logged in to post a comment.

Related Articles